Tuesday April 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শুক্রবার, ১১ জুন, ২০২১ এ ০৬:৫৩ PM

আমাদের অর্জন সমূহ

কন্টেন্ট: পাতা

  • দৈনিক সমাবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং দৈনিক সমাবেশে সকল শিক্ষক দৈনিক সমাবেশে শিক্ষক উপস্থিত থেকে এক এক দিন এক এক জন শিক্ষক নৈতিক শিক্ষা ও সমসাময়িক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে থাকেন ।
  • শুদ্ধ উচ্চারণ ও সুরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনে উদ্ভুদ্ধ করা হয়েছে ।
  • সকাল ১০টা - ৪টা শ্রেণি কার্যক্রম নিশ্চিত করা হয়েছে ।
  • সকল প্রতিষ্ঠানে অভিভাবক/মা সমাবেশের মাধ্যমে সচেতনেতা কার্যক্রম অব্যাহত আছে ।
  • শিক্ষা উপকরণের ব্যবহার কাংখিত পর্যায়ে উন্নিত না লেও পূর্বের তুলনায় বেড়েছে এবং এ বিষয়ে মোটিভেশন অব্যাহত আছে ।
  • সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা অনুসরণ করে পাঠদান বিষয়ে মোটিভেশন অব্যাহত আছে ।
  • প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিয়ে মাসিক সভা নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয় ।
  • প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান প্রতি বছর বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনা তৈরি করছে এবং কর্ম পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান পরিচালনার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে

  • বিষয় ভিত্তিক শ্রেণি শিক্ষকদের নিয়ে প্রদর্শনী পাঠের মাধ্যমে হাউজ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে । ফলে শিক্ষকবৃন্দ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে লব্ধ জ্ঞানের কার্যকরী প্রয়োগ শ্রেণিকক্ষে করতে সক্ষম হচ্ছে।

  • মাসিক মনিটরিং রিটার্ণ ফরম প্রতিষ্ঠান প্রধানগণের পূরণের ফলে সকল শিক্ষকের জবাবদিহিতা বেড়েছে ।

  • শ্রেণী কক্ষে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে

  • উপজেলায় a2i কর্তৃক ০২ জন শিক্ষক এম্বেসডর হিসেবে মনোনীত হয়েছে । উক্ত ০২ জনের সাথে আইসিটিতে দক্ষ আরও ০৩ জন শিক্ষক দিয়ে একটি টিম গঠন করা হয়েছে । উক্ত টিমের তত্ত্বাবধানে কিশোর বাতায়নের সদস্য করার কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। ফলে উপজেলার ৯৮% শিক্ষক “শিক্ষক বাতায়ন’’ এর সদস্য হয়েছে।
  • শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা জোরদার করার লক্ষে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে “সততা সংঘ’’ গঠণ করা হয়েছে এবং ১২ (বারো) টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে “সততা ষ্টোর’’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ।
  • সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদক বিরোধী কমিটি গঠণ করে শিক্ষার্থীদের সচেতন করার কর্মসূচি নেয়া হয়েছে ।
  • নিয়মিত অভিভাবক সমাবেশ করার মাধ্যমে মাদক, বাল্য বিবাহ, সন্ত্রাস ও জংগীবাদ সস্পর্কে যেমন সচেতন করা হচ্ছে তেমনি শিক্ষার গুরুত্ব বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন করা হচ্ছে ।
  • পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য শিক্ষায় সচেতন করার লক্ষে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে “ইউজার্স গ্রুপ’’ গঠন করা হয়েছে।
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেয়ালে নৈতিক বাক্য লেখার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে ।
  • জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল নিয়ে প্রধান শিক্ষকদের কর্মশালা করা হয়েছে ।
  • মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানিত করার জন্য বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধাদের অতিথি করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ।

সাম্প্রতিক কর্মকান্ড

০১। একাডেমিক ও প্রশাসনিক পরিদর্শন:

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তার দপ্তরে আয়ন-ব্যয়ন অফিসারের দায়িত্ব পালন করে থাকেন । সরকারি নীতিমালার আলোকে তিনি ও তার দপ্তরে অন্যান্য অফিসারবৃন্দও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন থাকেন। তিনি তার নিজের পরিদর্শন প্রতিবেদনসহ অন্যান্য সকল অফিসারের পরিদর্শন প্রতিবেদন একত্রিত করে প্রতিমাসে জেলা শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করে থাকেন ।

০২। বিনা মুল্যের সরকারি পাঠ্য পুস্তক:

বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রাপ্ত কাজ হিসেবে বিনা মূল্যের সরকারি পাঠ্যপুস্তকের চাহিদা প্রদান, উপজেলা পর্যায়ে গ্রহণ, সংরক্ষণ, বিতরণ এবং ০১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক ভাবে শিক্ষার্থীর হাতে পৌছে দেয়ার কাজটি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ করে থাকেন ।

০৩। শিক্ষানীতি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন:

বর্তমান শিক্ষা বান্ধব সরকার ২০১০ সালে একটি পুর্ণাংগ শিক্ষানীতি জাতিকে উপহার দিয়েছেন । এই শিক্ষানীতি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ।

০৪। উপবৃত্তি ও তফসীলি উপবৃত্তি বিতরণ :

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তত্ত্বাবধানে উপবৃত্তি প্রকল্পের নীতিমালার আলোকে সরকার কর্তৃক প্রেরিত ছক/ফরমে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের তালিকা (প্রতিষ্ঠান যা আবেদনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে সংগ্রহ করে থাকেন ) অন লাইনে উপবৃত্তির ওয়েভ সাইটে আপলোড করেন। প্রকল্পের কর্তৃপক্ষ কর্তৃক যাচাই- বাছাই ও প্রক্রিয়াকরণের পর যোগ্য শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয় এবং G2P পদ্ধতিতে EFT - এর মাধ্যমে সরাসরি ছাত্র-ছাত্রীদের হিসাব নম্বরে (যে কোন তফসিলি ব্যাংক/ মোবাইল হিসাব নম্বর) ১ম কিস্তি ‍(জানুয়ারি - জুন) ও ২য় কিস্তি (জুলাই- ডিসেম্বর ) উপবৃত্তির টাকা বিনা খরচে প্রদান করা হয় । উপবৃত্তির ন্যায় একই পদ্ধতিতে তফসীলি উপবৃত্তিও G2P পদ্ধতিতে EFT - এর মাধ্যমে এবং মেধা বৃত্তিও G2P পদ্ধতিতে EFT- এর মাধ্যমে সরাসরি ছাত্র-ছাত্রীদের হিসাব নম্বরে টাকা বিতরণের প্রক্রিয়াটিও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারগণ নিবিড় মনিটরিং - এর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করেন ।

০৫। সৃজনশীল প্রতিভা অন্বেষণ:

শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রতি বছর “সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ” প্রতিযেডগিতার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে নৈতিক মূল্যবোধ, জাতীয় ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে জ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে থাকে। উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে থাকেন ।

০৬। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ:

শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক, মানবিক, দেশাত্ববোধ, জাতীয়তাবোধ এবং চরিত্রে সুনাগরিকের গুণাবলী বিকাশ ঘটানোর জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রতিবছর “জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ’’ উদযাপনের উদ্যোগ নিয়ে থাকেন । উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে থাকেন ।

০৭। শারীরিক শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন:

শিক্ষার্থীদের সুস্থ শরীর গঠণের গুরুত্ব, নিয়মানুবর্তিতা ও শৃংখলাবোধ সৃষ্টি লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিবছর শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে । উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে থাকেন । এ ছাড়া সারা বছর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহ পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম চর্চার আওতায় স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক ক্রীড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা হয়ে থাকে ।

০৮। মাল্টিমিডিয়া কার্যক্রম বাস্তবায়ন:

তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে শ্রেণি কার্যক্রমকে শিক্ষার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় ও ফলপ্রসু করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাল্টিমিডিয়া ক্লাস স্থাপনের নির্দেশনা প্রদান করেছেন । স্থায়ী মাল্টিমিডিয়া ক্লাস স্থাপন, ক্লাস রুটিনে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস সংযোজন, মাল্টিমিডিয়া ক্লাস গ্রহণ এবং ড্যাস বোর্ডে এন্টি নিশ্চিত করতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ।

০৯। শিক্ষক প্রশিক্ষণ:

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শিক্ষকদের পেশাগত বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণের প্রশিক্ষণার্থী মনোনয়ন এবং প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরন ও প্রশিক্ষণ লব্ধ জ্ঞান প্রয়োগে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ কাজ করে যাচ্ছেন ।

১০। জরীপ ও তথ্য সংগ্রহ:

জাতীয় শিক্ষা তথ্য পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)-এর আওতাধীন সকল প্রকার জরীপ বা তথ্য সংগ্রহ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন জরীপে মাঠ পর্যায়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারগণ সক্রিয় সহযোগিতা প্রদান করে থাকে ।

১১। শুদ্ধ সুরে জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতা ও বিজয় ফুল অংকন প্রতিযোগিতা :

শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক, দেশাত্ববোধ ও জাতীয়তাবোধ বিকাশ ঘটানোর জন্য সরকার প্রতিবছর শুদ্ধ সুরে জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতা ও বিজয় ফুল অংকন প্রতিযোগিতা উদযাপনের উদ্যোগ নিয়ে থাকে এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে থাকেন।

১২। প্রতিষ্ঠান র‍্যাংকিং:

প্রতিষ্ঠান প্রধান ISAS নামক ফরম পূরণ করে ০৭টি নির্দেশকের আলোকে তার প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক কাজ সম্পাদনের তথ্য প্রদান করে থাকেন । তাদের প্রদত্ত তথ্য ও পরিদর্শনে প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের একাডেমিক মান নির্ণয় পূর্বক প্রতিবছর এ গুলোর র‍্যাংকিং (এ, বি, সি, ডি, ও ই) নির্ধারণের কাজ করা হয়।

১৩। শূণ্য পদের চাহিদা প্রদান:

শিক্ষক নিয়োগের জন্য এনটিআরসি -এ শূণ্য পদের তালিকা সরবরাহের নিমিত্তে মাঠ পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান থেকে শূণ্য পদের তালিকা সংগ্রহ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এনটিআরসি -এ প্রেরণ করা হয় ।

১৪। EMIS ডাটা হাল নাগাদ:

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের EMIS কম্পিউটার সেলের প্রতিষ্ঠান সম্পকিত তথ্য হালনগাদ করনের কাজ তদারকি করে জরীপ সম্পন্ন করনে সক্রিয় ভূমিকা ফালন করা হয়।

১৫। শিক্ষক গাইড বিতরণ ও বাস্তবায়ন:

জাতীয় শিক্ষক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কতৃক মূদ্রণকৃত শিক্ষক গাইড শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌছানোর কাজটিও করে থাকেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ।

১৬। নারী শিক্ষার অগ্রগতি:

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস যখন প্রতিষ্ঠা হয় তখন মাধ্যমিক স্তরে নারী শিক্ষার হার ছিল ২৬%, বর্তমানের এই হার ৫৩%। সরকারি উপবৃত্তি প্রকল্প বাস্তবায়নে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের একান্ত প্রচেষ্টায় এটা সম্ভব হয়েছে। ফলে আর্থ সামাজিক উন্নয়নে বহুমুখী প্রভাব পড়েছে। যেমন:

# নারী শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেয়েছে # বাল্য বিবাহ হ্রাস পেয়েছে # শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস পেয়েছে # মাতৃ মৃত্যুর হার হ্রাস পেয়েছে # স্বাস্থ সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে # নারীর কর্মক্ষেত্রের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে # নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি পেয়েছে।

১৭। সহ পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম:

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের প্রচেষ্টায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আইসিটি ক্লাব, বিজ্ঞান ক্লাব, সততা সংঘ, সাংস্কৃতিক ক্লাব, ক্রীড়া ক্লাব, ইউজার্স গ্রুপ ইত্যাদি গঠণ সম্ভব হয়েছে । ফলে শিক্ষথীদের বহুমুখী প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে । এ ছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিতভাবে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, গণিত অলিম্পিয়াড, স্কাউট সমাবেশ, বিজ্ঞান ও আইসিটি মেলা ইত্যাদি সৃজনশীল কাজের উদ্যোগ নিয়ে থাকেন।

১৮। অভিভাবক সমাবেশ:

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত অভিভাবক/মা সমাবেশ করতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ উদ্বুদ্ধ করে এবং এই ধরণের সমাবেশে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণও উপস্থিত থাকে । অভিভাবক সমাবেশের মাধ্যমে অভিভাবকদের সচেতন করার মাধ্যমে ঝড়ে পরা হ্রাস পাচ্ছে, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাচ্ছে ফলে শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাচ্ছে ।


১৯। পাবলিক পরীক্ষার দায়িত্ব পালন:

পিএসসি, জেএসসি, জেডিসি, এসএসসি, এইচএসসি, ডিগ্রী, কারিগরি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতিনিধি হিসেবে থানার মালখানা থেকে গ্রহণ ও কেন্দ্র সচিবের নিকট প্রেরণ এবং পরীক্ষার হলে কেন্দ্র তত্ত্বাবদায়কের দায়িত্ব পালন করে থাকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ ।


২০। প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন:

সরকারি বিধি মোতাবেক প্রিজা্ডিং অফিসার নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি/গভাণিং বডি গঠণের দায়িত্ব পালন করে থাকেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ ।

২১। ইন হাউজ প্রশিক্ষণ:

ইন হাউজ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষককে এবং সকল শিক্ষককে আইসিটিতে দক্ষ করার জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসাররা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছেন ।

২২। অভিযোগ তদন্ত:

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যে কোন অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন জেলা শিক্ষা অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করে থাকেন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ ।

২৩। আভ্যন্তরিণ পরীক্ষার রুটিন তৈরী:

মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর মহোদয় কর্তৃক প্রণীত অভিন্ন সময়সূচি অনুযায়ী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ আভ্যন্তরিন পরীক্ষার রুটিন তৈরি করে প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করে থাকেন ।

২৪। উপস্থিতি প্রতিবেদনে প্রতিস্বাক্ষর:

শিক্ষকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরনের লক্ষ্যে মাসিক পে-অর্ডারের টাকা উত্তোলনের পূর্বে প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক শিক্ষক উপস্থিতি প্রতিবেদনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ প্রতিস্বাক্ষর করে থাকেন ।

২৫। জাতীয় দিবস উদযাপন:

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, বিজয় দিবস, জাতীয় শোক দিবস, জাতীয় শিশু দিবস, বাংলা নববর্ষ, ২১শে ফেব্রুয়ারী ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, রবীন্দ্র জয়ন্তী, নজরুল জয়ন্তী, বিশ্ব শিক্ষক দিবস, বিশ্ব পরিবেশ দিবস , আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস ইত্যাদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নিশ্চিত করে থাকেন ।

২৬। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন:

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সকল প্রকারের উন্নয়ন প্রকল্প মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন ও তদারকির কাজ করে থাকেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ।

২৭। ত্রৈমাসিক সম্বন্নয় সভা:

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার প্রতি তিন মাস অন্তর প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সাথে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক মানোন্নয়ন বিষয়ে মূল্যায়ন সভা করেন এবং এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জেলা শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করে থাকেন ।

২৮। অন লাইন এমপিও:

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস অন লাইন এমপিও (শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আওতাধীন বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীগণের নতুন এমপিও, এমপিওর সকল ধরনের কারেকশন, উচ্চতর স্কেল, ইনডেক্স ডিলিট ইত্যাদি ) সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ অত্যন্ত সততা ও দক্ষতার সাথে যাচাই বাছাই করে যথাযথ কর্তৃপক্ষ বরাবরে অগ্রায়ণ করে থাকেন।

২৯। নিয়োগ কমিটির সদস্য:

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাগণ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ কমিটিতে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের প্রতিনিধি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন